14 Days Umrah Economy Package-02

14 Days Umrah Economy Package-02

/5

ইকোনোমি উমরাহ প্যাকেজে  মক্কা হোটেল ৬০০ মিটার মদিনা  হোটেল ৩০০ মিটার দূরত্বের প্যাকেজগুলোর সুবিধা সাধারণত একটু মানসম্মত হয়ে থাকে। সাধারণত এই ধরনের প্যাকেজে যে সুবিধাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে তা হলো:

১. ফ্লাইট পরিবহন

  • ফ্লাইট: প্রিমিয়াম এয়ারলাইন্স এর ইকোনমি ক্লাস টিকেট (ট্রান্জিট ফ্লাইট)।
  • এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার: মক্কা এবং মদিনা উভয় শহরে  লাক্সারি বাসের মাধ্যমে এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার এবং আরামদায়ক আসন, যা দীর্ঘ যাত্রার সময়ে আপনাকে সান্ত্বনা প্রদান করে।

২. হোটেল বুকিং

  • মক্কায়: হারাম শরীফের চত্বরের বহির প্রান্ত থেকে ৬০০ মিটার দূরত্বে অবস্থিত ৩ ষ্টার মানের হোটেল, (আজিয়াদ রোড/ইব্রাহিম খলিল রোডের সাথে মুন্সিয়া/হিজরা রোডের প্রথমে হবে ) ।
  • মদিনায়: মসজিদে নববীর চত্বরের বহির প্রান্ত থেকে ৩০০ মিটার দূরত্বে অবস্থিত ৩ ষ্টার মানের হোটেল (যেমন: কারাম সিলভা/ কারাম গোন্ডেন  বা এই সমমানের অন্য যে কোন হোটেল হতে পারে )।

৩. জিয়ারত

  • পবিত্র স্থানগুলোতে জিয়ারত করার সুযোগ যেমন: মসজিদে কুবা, জাবাল উহুদ, এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থান।

৪. ডাইনিং সুবিধা

  • ডাইনিং অপশন: বিভিন্ন প্রিমিয়াম রেষ্টুরেন্টে হালাল খাদ্যের ব্যবস্থা, যেখানে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ান, এবং আন্তর্জাতিক খাবারের সম্ভার থাকবে।
  • রুম সার্ভিস: ২৪/৭ রুম সার্ভিস যা অতিথিদের পছন্দের খাবার তাদের রুমে সরবরাহ করবে।

৫. ইবাদতের জন্য বিশেষ সুবিধা

  • আজান হারাম সংযোগ: রুমে সরাসরি হারাম শরীফের আজান এবং নামাজ সম্প্রচার।
  • কাছে থাকার সুবিধা: হোটেলটি হারাম শরীফ বা মসজিদে নববীর খুব কাছাকাছি থাকায় নামাজের সময় দ্রুত ও সহজে মসজিদে পৌঁছানো সম্ভব হয়। এতে যাত্রীরা জুমার নামাজসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সহজেই জামাতে আদায় করতে পারেন।
  • পায়ে হেঁটে যাওয়া: যাত্রীরা পায়ে হেঁটে কয়েক মিনিটের মধ্যে মসজিদে পৌঁছাতে পারেন, যা দীর্ঘ সময়ের বা যাতায়াতের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়।
  • ভিড় কমানো: নামাজের আগে ও পরে দ্রুত হোটেলে ফিরতে পারার কারণে ভিড় এড়ানো সম্ভব হয়, বিশেষ করে নামাজের সময় বা রমজানের মতো ব্যস্ত মৌসুমে।
  • বিরতির সুযোগ: হোটেলে ফিরে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার ইবাদতের জন্য মসজিদে ফিরে যাওয়া সহজ হয়।

৬. সুবিধাজনক অবস্থান

  • হারাম শরীফের নিকটে: হোটেলগুলো এমনভাবে নির্বাচিত হবে যাতে হারাম শরীফে সহজেই পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়।
  • প্রাইভেট এক্সেস: কাবা ভিউ বা মসজিদে নববীর ভিউ সহ এ ক্ষেত্রে বুকিং এর সময় এজেন্সী কে অবহিত করতে হবে (কাবা ভিউ এর ক্ষেত্রে প্যাকেজ রেট ও বাড়তে পারে।
  • বয়স্ক এবং শারীরিক অসুবিধাজনিত লোকদের জন্য সুবিধা: যারা বয়স্ক বা শারীরিকভাবে অসুস্থ তাদের জন্য হোটেলের কাছে থাকাটা খুবই আরামদায়ক, কারণ তাদের কম হাঁটতে হবে এবং ক্লান্তি এড়াতে পারবেন।
  • বাচ্চাদের সাথে নিরাপদে ভ্রমণ: বাচ্চাদের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কাছের হোটেল থেকে মসজিদে যাওয়া সহজ এবং নিরাপদ।

৭. বিশেষ সুবিধা

  • ফ্রি ওয়াইফাই: হোটেলে উচ্চগতির ইন্টারনেটের সুবিধা।
  • এন্টারটেইনমেন্ট: রুমে প্রিমিয়াম চ্যানেলসহ স্মার্ট টিভি এবং মিউজিক সিস্টেমের ব্যবস্থা।

৮. বীমা সুরক্ষা

  • ভ্রমণ বীমা: উমরাহ ভ্রমণের জন্য বিশেষ বীমা প্যাকেজ যা মেডিকেল, ভ্রমণ এবং অন্যান্য জরুরী পরিস্থিতির কভারেজ প্রদান করে।
  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা: প্রতিটি হোটেলে ২৪/৭ নিরাপত্তা এবং হেল্পলাইন সেবা।

এই প্যাকেজটি উমরাহ যাত্রাকে সহজ, আরামদায়ক এবং স্মরণীয় করে তুলতে সাহায্য করবে। ৩ষ্টার মানের  হোটেল প্যাকেজের মান ধরে রাখতে, সবকিছুতেই বিশেষত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব বজায় থাকবে ইনশাআল্লাহ ।

 

ইকোনোমি উমরাহ প্যাকেজে  মক্কা হোটেল ৬০০ মিটার মদিনা  হোটেল ৩০০ মিটার দূরত্বের প্যাকেজগুলোর সুবিধা সাধারণত একটু মানসম্মত হয়ে থাকে। সাধারণত এই ধরনের প্যাকেজে যে সুবিধাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে তা হলো:

১. ফ্লাইট পরিবহন

  • ফ্লাইট: প্রিমিয়াম এয়ারলাইন্স এর ইকোনমি ক্লাস টিকেট (ট্রান্জিট ফ্লাইট)।
  • এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার: মক্কা এবং মদিনা উভয় শহরে  লাক্সারি বাসের মাধ্যমে এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার এবং আরামদায়ক আসন, যা দীর্ঘ যাত্রার সময়ে আপনাকে সান্ত্বনা প্রদান করে।

২. হোটেল বুকিং

  • মক্কায়: হারাম শরীফের চত্বরের বহির প্রান্ত থেকে ৬০০ মিটার দূরত্বে অবস্থিত ৩ ষ্টার মানের হোটেল, (আজিয়াদ রোড/ইব্রাহিম খলিল রোডের সাথে মুন্সিয়া/হিজরা রোডের প্রথমে হবে ) ।
  • মদিনায়: মসজিদে নববীর চত্বরের বহির প্রান্ত থেকে ৩০০ মিটার দূরত্বে অবস্থিত ৩ ষ্টার মানের হোটেল (যেমন: কারাম সিলভা/ কারাম গোন্ডেন  বা এই সমমানের অন্য যে কোন হোটেল হতে পারে )।

৩. জিয়ারত

  • পবিত্র স্থানগুলোতে জিয়ারত করার সুযোগ যেমন: মসজিদে কুবা, জাবাল উহুদ, এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থান।

৪. ডাইনিং সুবিধা

  • ডাইনিং অপশন: বিভিন্ন প্রিমিয়াম রেষ্টুরেন্টে হালাল খাদ্যের ব্যবস্থা, যেখানে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ান, এবং আন্তর্জাতিক খাবারের সম্ভার থাকবে।
  • রুম সার্ভিস: ২৪/৭ রুম সার্ভিস যা অতিথিদের পছন্দের খাবার তাদের রুমে সরবরাহ করবে।

৫. ইবাদতের জন্য বিশেষ সুবিধা

  • আজান হারাম সংযোগ: রুমে সরাসরি হারাম শরীফের আজান এবং নামাজ সম্প্রচার।
  • কাছে থাকার সুবিধা: হোটেলটি হারাম শরীফ বা মসজিদে নববীর খুব কাছাকাছি থাকায় নামাজের সময় দ্রুত ও সহজে মসজিদে পৌঁছানো সম্ভব হয়। এতে যাত্রীরা জুমার নামাজসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সহজেই জামাতে আদায় করতে পারেন।
  • পায়ে হেঁটে যাওয়া: যাত্রীরা পায়ে হেঁটে কয়েক মিনিটের মধ্যে মসজিদে পৌঁছাতে পারেন, যা দীর্ঘ সময়ের বা যাতায়াতের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়।
  • ভিড় কমানো: নামাজের আগে ও পরে দ্রুত হোটেলে ফিরতে পারার কারণে ভিড় এড়ানো সম্ভব হয়, বিশেষ করে নামাজের সময় বা রমজানের মতো ব্যস্ত মৌসুমে।
  • বিরতির সুযোগ: হোটেলে ফিরে একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার ইবাদতের জন্য মসজিদে ফিরে যাওয়া সহজ হয়।

৬. সুবিধাজনক অবস্থান

  • হারাম শরীফের নিকটে: হোটেলগুলো এমনভাবে নির্বাচিত হবে যাতে হারাম শরীফে সহজেই পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়।
  • প্রাইভেট এক্সেস: কাবা ভিউ বা মসজিদে নববীর ভিউ সহ এ ক্ষেত্রে বুকিং এর সময় এজেন্সী কে অবহিত করতে হবে (কাবা ভিউ এর ক্ষেত্রে প্যাকেজ রেট ও বাড়তে পারে।
  • বয়স্ক এবং শারীরিক অসুবিধাজনিত লোকদের জন্য সুবিধা: যারা বয়স্ক বা শারীরিকভাবে অসুস্থ তাদের জন্য হোটেলের কাছে থাকাটা খুবই আরামদায়ক, কারণ তাদের কম হাঁটতে হবে এবং ক্লান্তি এড়াতে পারবেন।
  • বাচ্চাদের সাথে নিরাপদে ভ্রমণ: বাচ্চাদের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কাছের হোটেল থেকে মসজিদে যাওয়া সহজ এবং নিরাপদ।

৭. বিশেষ সুবিধা

  • ফ্রি ওয়াইফাই: হোটেলে উচ্চগতির ইন্টারনেটের সুবিধা।
  • এন্টারটেইনমেন্ট: রুমে প্রিমিয়াম চ্যানেলসহ স্মার্ট টিভি এবং মিউজিক সিস্টেমের ব্যবস্থা।

৮. বীমা সুরক্ষা

  • ভ্রমণ বীমা: উমরাহ ভ্রমণের জন্য বিশেষ বীমা প্যাকেজ যা মেডিকেল, ভ্রমণ এবং অন্যান্য জরুরী পরিস্থিতির কভারেজ প্রদান করে।
  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা: প্রতিটি হোটেলে ২৪/৭ নিরাপত্তা এবং হেল্পলাইন সেবা।

এই প্যাকেজটি উমরাহ যাত্রাকে সহজ, আরামদায়ক এবং স্মরণীয় করে তুলতে সাহায্য করবে। ৩ষ্টার মানের  হোটেল প্যাকেজের মান ধরে রাখতে, সবকিছুতেই বিশেষত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব বজায় থাকবে ইনশাআল্লাহ ।